Recents in Beach

মানব দেহের জন্য কাজু বাদাম খাওয়ার নিয়ম ও উপকারীতা

 



কাজু বাদামের মাহাত্বক শারীরিক উপকারিতার দিক থেকে অষিকার করার নয়। দিনে তিন থেকে চারটি করে কাজু বাদাম খেলে শরীলে খনিজ পদার্থ ও পুষ্টি উপাদানের ঘারতি গুলো পুূরণ হয়। এতে ভিটামিন অধিক পরিমাণে থাকার কারণে ডাক্তাররা একে প্রাকৃতিক ভিটামিন ট্যাবলেট  বলে থাকে। আসুন তাহলে জেনে নেই কাজু বাদাম খেলে কী হয় এবং কাজু বাদাম খাওয়ার নিয়ম  সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। 


১/ কাজু বাদামের উপকারীতা, প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও খনিজ এবং ভিটামিন রয়েছে কাজু বাদামে। টিউমার প্রতিরোধে কাজু বাদামের ভূমিকা অপরিসীম।  এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার সেলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে থাকে। কাজু বাদামে ম্যাগনেসিয়াম ব্লাড পেসার কে নিয়ন্ত্রণে আনতে সহ্মম। যার ফলে ব্লাড পেসারে আক্রান্ত রোগীরা নিজেদের খাদ্য তালিকায় কাজু বাদাম রাখতে পারেন। সুস্থ হার্টের জন্য কাজু বাদামের বিকল্প কোন কারণ নেই। এই খাবারে এক ধরনের মনো আন সেচোরেটেট  এক ধরণের ফ্যাটি এসিড থাকে যার নাম অলিসি। অলিসিক শরীলের খারাপ কলোষ্টেরল নিয়ন্ত্রণে কপারের উপস্থিতি রয়েছে। কোপা চুলের গুড়াকে শক্ত করার পাশাপাশি চুলের উজ্জ্বল্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। কপার শরীরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম এর পরিমান বৃদ্ধিতে করে। চুলের রং কে আরো বেশি গাড়ু করে এবং স্থায়িত্ব করে। কাজু বাদাম ভাইরাস প্রতিরোধে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই যাদের রোগ প্রতিরোধ হ্মমতা কম তারা নিয়মিত খাদ্য তালিকায় কাজু বাদাম যুক্তকরতে পারেন। এছাড়াও শীতে শক্তি বৃদ্ধিতে কাজু বাদামের ভূমিকা অনসিকার্য। কাজু বাদামের ম্যাগনেসিয়াম মস্তিষ্কের টিস্যুর শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। কাজু বাদাম কে আমরা ব্রেইনের বুষ্টার পাওয়ার ও বলে থাকি। 


২/ আসুন এবার জেনে নেই খালি পেটে কাজু বাদাম খাওয়ার উপকারীতা। (ক)শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক,কাজু বাদামে দেহের মূল শক্তির উপাদান কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। আমাদের শরীর এটিকে ভেঙ্গে গ্লুকোজে রূপান্তরিত করে। গ্লুকোজ আমাদের দেহের কোষ, টিস্যু,ও অঙ্গ গুলোর জন্য শক্তির প্রধান উৎস। খালি পেটে কাজু বাদাম খেলে আমাদের পরিপাকতন্ত্র  দূর্ত গ্লুকোজকে কাজ করতে বাধ্য করে। 

(খ)কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, সকালে খালি পেটে কাজু বাদাম খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কাজু বাদামে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা হজমে সহায়তা করার সাথে সাথে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। এই সুসাধু বাদাম রেচন প্রকিয়াতেও সাহায্য করে। 


৩/ হাড়ের গঠন মজবুত করে, কাজু বাদামে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম রয়েছে যা হাড়ের বিকাশ ও বল বৃদ্ধিতে  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 


৪/ ওজন কমাতে সাহায্য করে, বর্তমান সময়ে স্থুলতা একটি বিশাল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছ।  আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য অভ্যাস ও অনিয়ম আমাদের ওজন বৃদ্ধিতে কাজ করছে।একটি গবেষণায় দেখা গেছে ফাইবার সমৃদ্ধ কাজু বাদাম ওজন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এছাড়া কোলেষ্টেরল নিয়ন্ত্রণে ও এটির ভূমিকা লহ্ম করা যায়। যা ওজন নিয়ন্ত্রণ কে প্রভাবিত করে। একই সাথে কাজুতে স্থুলতা বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে ফলে এটি স্থুলত্বের ঝুঁকিও হ্রাস করে। 


আসুন এবার জেনে নেই কাজু বাদাম খাওয়ার নিয়ম,বর্তমানে আমরা কেক,চকলেট,পায়েস,আচার  ইত্যাদিতে স্বাদ বৃদ্ধি করার জন্য কাজু বাদাম ব্যবহার করে থাকি। তবে কাজু বাদাম খাওয়ার হ্মেরতে বয়স ও শারীরিক অবস্থা বেদে নিয়ম মেনে চললে এর পুষ্টিগুন পুরোপুরি পাওয়া যেতে পারে। ২ বছরের কম বয়সি বাচ্চাদের হ্মেতরে কাজু বাদাম খাওয়ানোর হ্মেতরে সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। এটি তাদের গলায় আটকে জেতে পারে। তাদেরকে অন্য খাবারের সাথে কাজু বাদাম মিশিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে। প্রতিদিন ১ বার বা সপ্তাহে ৩  বার ১০-১৫ টি বাদাম খেতে পারে। এছাড়া ২ বছরের বড় বাচ্চাদের জন্য ১৫-২০ টি বাদাম খেতে পারে। প্রতিবার তারা যদি ৩০ টি অথবা ৫০ গ্রাম বাদাম খাই তাহলে তাদের প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্ছ ৩ বার খেতে দেওয়া উচিত। এবং গর্ভবতী মহিলাদের জন্য প্রতিদিন ১০-৫০ গ্রাম কাজু বাদাম খাওয়া ভালো। যা ৩৫ -৬৫ টি বাদামের সমান। যদি বেশি খাওয়া হয়ে যায় তাহলে আপনি সপ্তাহে ২-৩ বার খাওয়া উচিত। এ হ্মেতরে আপনি আপনার বাদাম খাওয়ার নিয়ম এক জন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ঠিক করে নিতে পারেন। তাছাড়া ডায়াবেটিসও অন্যান্য রোগীদের হ্মেতরে এবং বয়ষ্ক শুধু মাত্র ৫০ গ্রাম বা ৩০ টি কাজু বাদাম খাওয়া উচিত যা তাদের জন্য যথেষ্ট।  একজন প্রাপ্ত বয়ষ্ক লোক প্রতিবারে ৩০-৩৫ টি কাজু বাদাম খেতে পারে। এবং প্রতিবারে ৫০-৭০ গ্রাম করে খেতে পারে। 


আর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো কাজু বাদাম ভিজিয়ে খাবেন কেন,যেমন : সাইট্রিক এসিড দূর করে। কাজু বাদামের বাহিরের আবরণে সাইট্রিক এসিড বৃদ্য মান থাকে। এই এসিড মানুষের হ্মতি করে। বেশি মাত্রায় এসিড গ্যাস্টিগ এর সমস্যা সৃষ্টি করে। এটি মিনারেলের শোষণে সমস্যা করে। খাওয়ার আগে বাদাম বিজিয়ে রাখলে সাইট্রিক এসিড নিষ্কিয় করে।


 এইটি বল পাউল সিস্টেম কমায়,কাজুর মধ্যে থাকা এনহেভিটর এনজাইম গ্যাস্টিকের সমস্যা তৈরি করে। একি সাথে এরিটেবল পাউল সিস্টেম তৈরি করে। বাদাম খাওয়ার আগে ভিজিয়ে খেলে এই এনজাইম দূর হয়। 


টেনেন দূর হয়, বাদামে থাকা টেনেন হজমের সমস্যা তৈরি করে। বাদাম ভিজিয়ে রাখলে টেনেন দূর হয়। সুতরাং বাদাম খাওয়ার পূর্বে বিজিয়ে রাখাই ভালো। 


কোলনের কার্যকম ভালো হয়,বাদাম খাওয়ার পূর্বে ভিজিয়ে রাখলে কোলন থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে। এটি পুষ্টির শূষণের জন্য ভালো। 


মিনারেলের শূষণ ব্যাহত করে,সাইট্রিক এসিড মিনারেলের শূষণ কে ব্যাহত করে। এটি শরীরে মিনারেলের ঘারতি তৈরি করে তাই বাদাম বিজিয়ে খান। বিজিয়ে খেলে বাদামের হ্মতিকর এসিড দূর হয়। 


আসুন এবার জেনে নেই কিভাবে কাজু বাদাম ভেজাবেন, প্রথমে একটি পাত্ররে পানি নিয়ে বাদাম ভেজান। ভেজানোর সময় অবশ্যই ফুটন্ত বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করবেন। এর মধ্যে ২ চানচ লবন দিয়ে ডেকে দিন ৬ ঘন্টা এভাবে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর পানি ফেলে দিয়ে কাজু বাদাম খেতে পারেন। 


কাজু বাদামের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, কাজু বাদাম একটি ফাইবার জাতীয় খাবার। তাই এটি বেশি খেলে পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমরা মাছ,মাংস,ডালের সাথে প্রোটিন গ্রহণ করে থাকি তাই বেশি প্রোটিন সমৃদ্ধ কাজু বাদাম কিডনির জন্য ঝুঁকি পূর্ণ। এছাড়াও এই বাদামে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম যা অনেক ঔষধের কার্যকমে বাদা প্রধান করে। আবার অনেকের বাদামে এলার্জি থাকে।

অতএব, কাজু বাদাম খাওয়া আমাদের সাস্থের জন্য ভিষণ উপকারী।






একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ