কচুর লতি আমাদের দেশে খুব পরিচিত একটি সবজি। এটি খুব উপকারী ও পুষ্টিকর সবজি। চিংড়ী দিয়ে এটি রান্না করলে তা খেতে অনেক সুস্বাদু হয়। অনেকে আবার বিভিন্ন শুটকি দিয়ে রান্না করে খেয়ে থাকেন। নিয়মিত কচুর লতি খেলে বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কচুর লতিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন যা মানব দেহের জন্য প্রচুর প্রয়োজন। কচির লতিতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ,কচুর লতি মানব দেহের রোগ প্রতিরোধ হ্মমতা বাড়ায়। গর্ভবতী মায়েদের,বাড়ন্ত শিশুদের, খেলোয়াড়দের এবং কেমো থেরাপি নিচ্ছেন এমন রোগীদের জন্য কচুর লতি খুব উপকারী। কচুর লতিতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ যা রক্ত শূন্যতা দূর করে। এটা রক্তে হিমোগ্লোভিন তৈরি করে, হিমোগ্লোভিন রক্ত উৎপাদনে সাহায্য করে। তাই রক্ত শূন্যতার হাত থেকে বাঁচতে কচুর লতি খান। কচির লতিতে আরো আছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। যা হাঁড় কে মজবুত করে। ক্যালসিয়াম হাঁড়ের হ্ময় রোধ করে। ক্যালসিয়ামের অভাবে হাঁড় ও দাঁতের হ্ময় হয়। তাই এই সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে নিয়মিত কচুর লতি খান। এই সবজিতে ডায়াট্রারিফাইবার বা আঁশের পরিমাণ খুব বেশি। যা খাবার হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এটি লিভার ও পরিপ্রাক ত্বন্তের হ্মমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়াও ক্যান্সার থেকেও আমাদের রহ্মা করে থাকে। কচুর লতিতে আরো আছে ভিটামিন সি, ভিটামিন সি শরীরের ইনফেকশন সারাতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ হ্মমতা বাড়ায়। বিভিন্ন সংক্রামণ রোগ থেকে বাঁচায়। ভিটামিন সি চর্মরোগের বিরুদ্ধে ও কার্যকরি ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার থেকে রহ্মা করে ও চুল পড়া রোধ করে। ত্বক ও দাঁতের জন্যও উপকারী ভূমিকা পালন করে। কচুর লতিতে আরো আছে ভিটামিন বি, যা হাত - পায়ে জিজি দরা বা অবস ভাব দূর করতে সাহায্য করে। মস্তিষ্কে সুন্দর ভাবে রক্ত চলাচল করতে ও সাহায্য করে ভিটামিন বি। কচুর লতিতে আছে আয়োডিন, যা খাবার হজমের পর দেহ থেকে বর্জ সঠিক ভাবে বের করে দিতে সাহায্য করে। নিয়মিত কচুর লতি খেলে গ্যাস্টিকের সমস্যা থাকে না। আয়োডিন আমাদের দাঁত, হাড় ও চুলকে মজবুত করে। কচুর লতি রক্তে চিনির পরিমাণ ঠিক রাখে, তাই ডায়াবেটিস রোগীরা এটি খেতে পারেন।
কচুর লতির বেশ উপকারীতা থাকার সরতেও এর কিছু পার্শপ্রতিকরিয়া ও রয়েছে যেমন: কচুতে আছে অকছোলেট নামক একটি উপাদান। যায় ফলে আমাদের গলা চুলকাই। তাই খাওয়ার সময় কিছু লেবুর রস মিশিয়ে খাবেন। কচুর লতি খেলে অনেকের আবার এলার্জি ও দেখা দিতে পারে। কচুর লতি খেলে অনেকের আবার হজমের সমস্যা হতে পারে। এছাঠা যারা ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও উচ্চ কলোষ্টেরল এর ভোগছেন তারা অবশ্যই কচুর লতি খাওয়ার সময় চিংড়ী ও শুটকি বাঁধ দিয়ে খাবেন। কচুর লতির উপকারীতা পাওয়ার জন্য সবাই কচুর লতি খাবেন।

0 মন্তব্যসমূহ