Recents in Beach

ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠার অদ্ভুত জাদু🤟🤟

 



পুরনো একটি কথা আছে যে জেগে থাকে সে পায় আর যে গুমিয়ে থাকে সে হারায়। বছরের এমন কোন দিন নেই যেই দিনটিতে আমি সূর্য উদয় দেখিনি। আমি প্রতিদিন সকাল ৪ টায় ঘুম থেকে উঠি। হয়তো এটাই আমার সফলতার মূল চাবিকাঠি। এই কথাটি হলো বলিউড স্টার  Akhay kumar এর।  এই পৃথিবীতে যত সফল মানুষ হয়েছে সবাই সূর্য উঠার আগে বিছানা তেগ করে। ব্ন্ধুরা আমরা ছোট থেকে শুনে এসেছি আমাদের সকালে তারাতারি ঘুম থেকে উঠা উচিত। কিন্তু কি এমন লাভ বা হ্মতি হয় সকালে ঘুম থেকে উঠলে? 

যার কারণে আমাদের সকালে ঘুম থেকে উঠতে বলা হয়। আজকের এই কন্টেনে সকালে ঘুম থেকে উঠার ৭টি উপকারিতা আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।  যা দেখার পর আপনারাও সকালে ঘুম থেকে উঠতে বাধ্য হবেন। তার পরেও যদি ঘুম থেকে উঠতে না পারো তাহলে এই কন্টেনের শেষে এমন একটি উপায় বলবো যেটা এর আগে তোমাকে কেউ বলেনি। 


সকালে ঘুম থেকে তারাতারি উঠার  প্রথম উপকারিতা হলো অতিরিক্ত সময় পাবে, যখন তুমি সকালে তারাতারি ঘুম থেকে উঠবে তখন যারা সকাকে দেরিতে ঘুম থেকে উঠে তাদের চেয়ে বেশি সময় পাবে। বর্তমানে চারিদিকে সব কাজেই কম্পিটিশন। তুমি যেই ফিল্মেই কাজ কর না কেন তুমি যেই রেসে দৌড়াইতে ছো আর সেই রেসে বিজয় হতে হলে তোমাকে অতিরিক্ত চেষ্টা করতে হবে।  আর অতিরিক্ত চেষ্টার জন্য অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন। আর সেই সময় তুমি সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠার মাধ্যমে পাবে। ধরো তুমি আগে প্রতিদিন সকাল ৭টায় ঘুম থেকে উঠতে সে খানে যদি তুমি আগামীকাল ৫টায় উঠো তাহলে তুমি প্রতিদিন ২ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় পাবে।এবং অন্যদের তুলনায় তুমি সময় বেশি পাবে। এখন একটু তুমি ভাবো তুমি যদি অন্য মানুষের চাইতে বেশি কাজ করো যারা সকালে দেড়িতে ঘুম থেকে উঠে তাদের চেয়ে তা হলে তুমি তাদের চেয়ে বেশি কিছু অর্জন করতে পারবে। 


২/ সকালে তারাতারি ঘুম থেকে উঠার দ্বিতিয় উপকার হলো একাগ্রতা হ্মমতা বিদ্ধি পাবে। কারন ৫-৬ টার সময় এই সময়টা একটা ভালো সময়। এই সময়টার সময় আমাদের ব্রেইন ভালো কাজ করে। এই সময় আমরা যদি কোন কাজ করি তাহলে সেই কাজের প্রতি ভালো ব্রেইন Concentration করতে পারি। ফলে কিছু করলেই আমরা ভালো ভাবে মনে রাখতে পারি। যার ফলে আমাদের Concentration power increase হয়। তুমি যদি একজন ছাত্র হয়ে থাকো তাহলে তোমাকে সকালে তারাতারি ঘুম থেকে উঠে পড়তে বসা উচিত । 


৩/ সকালে ঘুম থেকে উঠার তৃতীয় কার হলো No Distraction.  নরমালি আমরা যদি দিনের বেলায় কাজ করি তখন আমাদের অনেক Distraction এর মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কাজের মধ্যে কখনো কারো কল চলে আসে অথবা কখনো কারো মেসেজ। আমরা কাজ করি দেখতে কিন্তু আমাদের মস্তিষ্কে চলে অন্য কিছু যার কারনে আমাদের ২ ঘন্টার কাজ শেষ করতে ৪ ঘন্টা সময় লাগে। কিন্তু শুধু মাত্র  সকালে এটার উল্টো টা হয়। যখন তুমি সকালে তারাতারি ঘুম থেকে উঠবে তখন বেশির ভাগ মানুষ সেই সময় ঘুমাবে।  তার কারন ফালতু কেউ নিজের ঘুম কেউ খারাপ করতে চায় না।  আর যদি কেউ তুমার মতো তারাতারি উঠে সকালের ঘুম বষ্ট করে তার মানে হলো তাকেও তার জীবনে ভালো কিছু অর্জন করতে হবে। যারা ঘুমাচ্ছে তারা কখনো তুমাকে ডিস্টার্ব করতে পারবে না। আর যারা জেগে আছে তারা তুমাকে ডিস্টার্ব করার সময় নেই। তাই সেই সময় তুমি তেমার সম্পূর্ণ কাজের প্রতি ফোকাস রাখতে পারবে। তুমি সকাল সকাল ২ ঘন্টা কাজ করে সারা দিনের ৪ ঘন্টা সময় বাঁচিয়ে নিতে পারবে। 


৪/সকালে তারাতারি ঘুম থেকে উঠার চতুর্থ উপকারিতা হলো positivity.যখন তুমি প্রতিদিন সকালে তারাতারি উঠবে। যখন তুমি তোমার কাজের প্রতি ফোকাস রাখবে তখন তোমার নিজের ভিতরে একটি positive Energy অনুভব হবে। তোমার মস্তিষ্কের ভেতরে সবসময় positive চিন্তা ভাবনা আসবে। তুমি তোমার স্বপ্ন পুরনের জন্য কাজ করে যাচ্ছ। তুমি তোমার নিজেকে দোকা দিচ্ছ না।  তুমি অন্যদের চাইতে ভালো কিছু করছো। এইসব বেবে তুমি অটোমেটিকলি ফিল করতে পারবে তোমার সফলতা নিশ্চিত। তাই সকালে তারাতারি ঘুম থেকে উঠার কারনে তুমি সবসময় positive থাকবে।


৫র্ম উপকারিতা হলো Caring  for yourself. ব্ন্ধুরা যখন তুমি সকালে তারাতারি ঘুম থেকে উঠবে নিজের কাজ করবে তখন তুমি নিজেকে অন্যদের চাইতে নিজেকে উচ্চ স্থানে অনুভব করতে পারবে। তোমার নিজের প্রতি নিজের গর্ভ হবে। নিজের উপর আস্থা আসবে ভরসা আসবে আর এ জন্যই তুমি নিজের প্রতি যত্মশীল হয়ে যাবে নিজেকে আরও বেশি ভালো বাসবে। 


৬/সকালে তারাতারি উঠার ষষ্ঠ উপকারিতা হলো You Feel Confident.কারন সকালে তারাতারি ঘুম থেকে উঠলে তুমি প্রতিদিন ২ ঘন্টা সময় বেশি কাজ করবে। যা দিনে অন্য সনয় ৪ ঘন্টা সময় কাজ করার সমান। যার ফলে তুমি প্রতিদিন তোমার Growth দেখতে পাবে। তুমি প্রতিদিন মানুষের চাইতে এবং নিজের Better Version তৈরি হতে থাকবে। যার ফলে তুমি নিজের প্রতি নিজেই কনফিডেন্স ফিল করবে। 


৭/ সকালে উঠার সপ্তম উপকারিতা হলো You Feel Energetic.কারন প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠার কারনে আমাদের ব্লাডে সুগার লেভেল কন্টোলে থাকে। আমাদের ডিফান্ডাল সকালে বেশি একটিভ থাকে। যার ফলে আমাদের ইচ্ছা শক্তি বেড়ে যায়। মস্তিষ্ক ঠিক থাকে আর আমরা নিজেকে এনার্জিটিক ফিল করি। কোন কাজ করতে গেলে সেই কাজের প্রতি অন্য রকম এনার্জি পাওয়া যায়। 


ব্ন্ধুরা এখন কথা বলবো সকালে কিভাবে তারাতারি উঠা যাবে আর যেটা সবচেয়ে যুক্তি। কারণ নিজেকে না বদলালে তুমি কখনোই progress করতে পারবে না।এজন্যই তারাতারি ঘুম থেকে উঠতে হবে শুধু চিন্তা না করে। এটাকে বাস্তবে রূপান্তরিত করতে হবে। তাহলে তারাতারি উঠার জন্য প্রথমে তোমাকে যথাযথ কারণ ঠিক করতে হবে। যে কারণ গুলি তুমাকে সকালে তারাতারি উঠতে বাধ্য করবে। সকালে আমাদের এতটায় ঘুম আসে যে যদি কোনো কিছু নষ্টও হয়ে যায় তা হলেও আমাদের ঘুম থেকে উঠতে মন চায় না। তাই সর্ব পৃরথম সকালে ঘুম থেকে উঠার একটি কারণ ঠিক করো। তারপর তোমার মোবাইল ফোনে এমন একটি এলাম লাগাও যেটি খুবই বাজে যেটা শুনলে তোমার তারাতারি বন্দ করতে ইচ্ছে করে। আর তোমার মোবাইল ফোন বিছানা থেকে দূরে রাখ যাতে তুমি মোবাইল ফোনটি বন্দ করে আর ঘুমাতে না পারো। তোমার মোবাইল ফোন বিছানা থেকে দূরে রাখ যাতে এটি বন্দ করতে হলে তোমাকে বিছানা থেকে উঠে যেতে হয়। 


ঘুমানোর আগে রাতে পানি পান করে ঘুমিয়ে যাও। ব্ন্ধুরা যখন সকালে এলাম বাজবে তখন তোমাকে তা বন্দ করার জন্য উঠতেই হবে ঐ সনয় তোমার প্রসাব এর ও চাপ আসবে। ঠিক সেই সনয় তোমার কাছে সুজুক থাকবে তোমার মুখ হাত দুয়ে নেওয়ার। সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি তুমি তোমার মুখ হাত দুয়ে নাও তা হলে মনে করো ৭৫% কাজ তোমার হয়ে গেছে। এখন বাঁকি ২৫% কাজ তোমার পরের কাজের উপর নির্ভর করবে যে তুমি তেমার বিছানায় ফিরে যাবে নাকি তোমার সেই সকালে উঠার কারণটা মনে করে তোমার নিজের কাজে ফোকাস করবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ