এই উপাদান গুলো ৩ দিন দুধের সাথে সিদ্ধ করে পান করুন। তাহলে ১০০ বছর পর্যন্ত হাড়ের হ্ময়, অনিদ্রা,দুর্বলতা, ক্লান্তিভাব,চোখের সমস্যা,ক্যালসিয়ামের অভাব,কোমর হাত ও পায়ের ব্যাথা ইনশাআল্লাহ কমে যাবে। প্রিয় দর্শক আজ আমরা এই টপিকে এমন এক উপায় নিয়ে এসেছি যা শরীরের সকল প্রকার সমস্যা দূর করে আপনার শরীর কে রোগ বিহীন করে দিবে। এটি আপনাকে সকল প্রকার রোগ থেকে রহ্মা করবে। বিশেষ করে কোমরে ব্যাথা, হাত এবং পায়ে ব্যাথা, হাঁটুতে ব্যাথা, কিংবা হাড়ের জোড়ায় ব্যাথা, এমনকি আপনার হাড্ডি থেকে ঠকঠক শব্দ আসবে না। যা আমাদের মধ্যে অনেকেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ সনস্যা। এটা ব্যবহারের ফলে কখনো আপনার অনিদ্রা জনিত সমস্যা সৃষ্টি হবে না। আমাদের শরীরের অনেক রোগের মূল কারণ হচ্ছে এই অনিদ্রা। অর্থাৎ ঘুম না হওয়া। যদি আমরা সঠিক ভাবে শান্তির ঘুমে যেতে না পারি তাহলে আমাদের শরীরের পুরো সিস্টেম বদলে যায়। আর আমাদের শরীরে রোগ বালাইয়ের বাসা হয়ে যায়। তাই প্রিয় দর্শক এই উপায়টি ব্যবহারের ফলে আপনার অনিদ্রা দূর হয়ে যাবে।আপনার শরীরে কোনো অলসতা আসবে না। আপনার শরীর ষাঁড় এর মতো শক্তিশালি হয়ে উঠবে। আর আপনি অনেক ফুরফুরে অনুভব করবেন। প্রচন্ড দৌড়ঝাঁপ করার পরেও হাঁপানি আসবে না। আর আপনি যদি চশমা ব্যবহার করে থাকেন, আপনার চোখের রশ্মির স্বল্পতা রয়েছে। এমনটি হলে এই উপাদানটি আপনার জন্য অনেক উপকারী। এটি আপনার চোখের সনস্যা দূর করে দিবে। আর আজীবনের জন্য চশমা তৈরির খরচ বাঁচিয়ে দিবে। এর সাথে সাথে এই উপায়টি আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ হ্মমতাকে বাড়িয়ে দিবে। তো ব্ন্ধুরা এর জন্য মূল যে উপাদানটি ব্যবহার করতে হবে তা হলো পোস্তদানা,শরীরের জন্য পোস্তদানা এক চমৎকার উপাদান। যা ঠান্ডা জনিত রোগ থেকে শুরু করে ক্যান্সারের মতো রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। এই ছোট ছোট বীজ যাতে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন ভিটামিন, ফ্যাট, ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম,ইত্যাদি ভরপুর থাকে।
আর দ্বিতিয় যে উপাদান তা হলো ভুট্রার খই বা পপকর্ন। ভুট্রার খই এর উপকারীতা সম্পর্কে তো হানেন ই। ভুট্রার খই হার্টের সমস্যা থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও একটা আশীর্বাদ। আপনার শরীরে শক্তি বাড়ানোর সাথে সাথে সকল প্রকার রোগ থেকে বেঁচে থাকতে ভুট্রার খই সাহায্য করে।
আর তৃতীয় যে উপাদানটি রয়েছে সেটি হচ্ছে গরুর দুধ, গরুর দুধের উপকারীতা তো আমরা সকলেই জানি। তাই এর সম্পর্কে না বললে ও চলবে। কেননা আমরা ছোট বেলা থেকেই গরুর দুধ পান করে আসছি।
চতুর্থ যে উপাদানটি রয়েছে সেটি হচ্ছে গরুর দুধের ঘি। এর উপকারীতা সম্পর্কে ও আপনারা জানেন। এটা যে পরিমান কাজ করে তা লহ্ম লহ্ম টাকার ঔষধও করতে পারে না। তা হলে আসুন জেনে নেই এই উপায়টি কিভাবে প্রস্তত করতে হয়। প্রথমে একটি পেনে চুলা গরম করে এক চামচ ঘি দিবেন। তার পর এক চানচ পোস্তদানা দিয়ে ঘি তে ভেজে নিবেন। দুই থেকে তিন মিনিট ভাজার পরে এর মধ্যেএক গ্লাস গরম দুধ ঢেলে দিবেন। এবার এর মধ্যে এক মুঠো ভুট্রার খই দিবেন। যদি আপনি চান তাহলে আরেকটু বেশিও দিতে পারেন। কেননা এটি বেশি খেলে কোনো হ্মতি নেই। এবার আপনি এরমধ্যে স্বাদ আানার জন্য মিষ্টি ব্যবহার করতে পারেন। তবে সাবধান ভুলেও চিনি ব্যবহার করবেন না। আপনি বিশুদ্ধ আখাই গুড়,মানে আখ থেকে তৈরী গুড়টা ব্যবহার করতে পারেন। তবে ডায়াবেটিস থাকলে তা বাদ দিবেন।এবার আপনাকে তিনবার দুধ উতলানো পর্যন্ত অপেহ্মা করতে হবে। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে একটা গ্লাসে ঢেলে নিবেন। মনে রাখবেন তা কখনোই ছাঁকা যাবে না, না ছেকেই খেতে হবে। এর মধ্যে যা আছে তার পুরোটাই আপনাকে খেতে হবে। কোনো কিছুই ফেলে দেওয়া যাবে না। এটি খেলে আপনি আপনার শরীরে এক চমৎকার পরিবর্তন দেখতে পাবেন। এটি ব্যবহারের তিন দিনের মধ্যেই আপনার শরীরে নতুন শক্তি সন্চয় হবে। এবং আপনার সকল রোগ ব্যাধি ধীরে ধীরে দূর হয়ে যাবে। তো ব্ন্ধুরা এই উপায়টি প্রতিদিন ঘরে বানিয়ে গ্রহণ করুন আর সুস্থ থাকুন।

0 মন্তব্যসমূহ