চাল কুমড়া একটি পুষ্টিকর সবজি যা ওজন কমাতে হজম শক্তি বাড়াতে রোগ প্রতিরোধ হ্মমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
ত্বক ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় চাল কুমড়া। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে দারুণ উপকারি এই চাল কুমড়া। এতে প্রচুর জল, ফাইবার,ভিটামিন ও খনিজ থাকে যা শরীরকে সতেজ রাখে এবং বিভিন্ন রোগ থেকে রহ্মা করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ করে,চাল কুমড়া খাওয়ার ফলে এতে ক্যালরি কম এবল জল ও ফাইবার বেশি থাকায় ওজন কমাতে সাহায্য করে। উচ্চ ফাইবার উপাদান কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। ভিটামিন সি, ভিটাকেরোটিন,আয়রণ এবং ফলিড থাকায় এটি রোগ প্রতিরোধ হ্মমতা বাড়ায়। চাল কুমড়ার রস দুধ ও চিনির সাথে মিশিয়ে খেলে মানুসিক চাপ কমে সৃতি শক্তি বাড়ে কিন্তু যক্ষা গ্যাসটিগ ও অন্যান্য পেটের সমস্যার উপকারি বলে বিবেচিত হয়। প্রতি ১০০ গ্রাম চাল কুমড়ায় জলীয় অংশ ৯৬.৫ গ্রাম খাদ্য শক্তি ১০ কিলোক্যালরি ফাইবার ১৬.৮ গ্রাম আমিষ ১৬.৪ গ্রাম শর্করা ১.৬ গ্রাম ক্যালসিয়াম ৩০ মিলি গ্রাম লোহ ০.৮ মিলি গ্রাম ভিটামিন সি ১ মিলি গ্রাম যা দৈনিক চাহিদার ১৬% এর ও বেশি থাকে এই চাল কুমড়ায়। চাল কুমড়া অনেক রোগ থেকে আমাদের কে দূরে রাখে। চাল কুমড়া আমাদের বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় সবজি। এই সবজি নানা পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ। এই সবজিতে রয়েছে খাদ্য শক্তি, আমিষ, শর্করা, ফাইবার, চর্বি, ভিটামিন সি,পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম,সোডিয়াম, কোলেষ্টেরল, লোহ,জিংক ও ফসফরাস। আয়ুবেদির মধ্যে চাল কুমড়ার পুষ্টি কারক বিয্যুত বর্ধক ও করিষ্ট। রক্তের দূষ অর্থাৎ রক্ত বিকার দূর করে, বায়ুর প্রকোপ কমিয়ে দেয়, কচি কুমড়া শিতল ও পৃত নাশক তবে মাঝারি মাপের কুমড়াকে কর্ক কারক বলা হয়। পাকা কুমড়া শিতল নয় তবে চুনা বা লবন মিশিয়ে সিদ্ধ করে খাওয়া যায় তাহলে খোদা বাড়িয়ে তোলে। হজম করা যায় তারাতারি। মূত্রাশয় পরিষ্কার করে, মানুসিক বেদি সারায়, শরীরে আরও নানা দূষ সারায়। পাকা চাল কুমড়ার বীচ কোষ্ঠকাঠিন্যের ঔষধ হিসেবে কাজ করে। চাল কুমড়া একটি মাইক্রোবিয়াল এজেন্ট হিসেবে পেস্ট এবং অন্তের হ্মতিকারক ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে। এটি গ্যাস্টিগ আলসার বা ইনফেকশন এর বিরুদ্ধে লড়ায় করে। মসলা যুক্ত খাবার যা দীর্ঘ দিনের উপভাষের কারণে প্রাকস্থলিতে হওয়া এসিড দূর করতে পারে। পাঁকা লাল কুমড়ার তুলনায় চাল কুমড়া অনেক বেশি ভেষজ গুণ রয়েছে। হার্টের পহ্মে ভালো, মনোবিকার দূর করে,তৃষ্ণা দূর করে, অরুচি নাশ করে,চাল কুমড়া বল্হু মূত্র দূর করে ডায়াবেটিস এর হ্মেতরে মহ ঔষধ হিসেবে কাজ করে। চাল কুমড়ার বীজ থেকে যে তেল বেড় করা হয় সেই তেল পৃত্য নাশক, শীতল, চুলের বৃদ্ধির পহ্মে ভালো। তবে চাল কুমড়ার লতা পাতা কিন্তু অনেক উপকারিতা আছে। চাল কুমড়া শাকে কিন্তু পুষ্টিগুন আছে।
ওজন ও মিয়াদ কমাতে সাহায্য করে চালকুমড়। চাল কুমড়া শরীরের ওজন ও মিয়াদ কমায়। রক্ত নালিতে রক্ত চলাচল সহজ করে, চাল কুমড়া অদিক ক্যালরি যুক্ত হওয়াই এটা কিন্তু আপনার খাবারের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। শরীরের হ্ময় হ্মতিতে মাথা হালকা বোধ করে মনের কিছু থাকে না এমন হ্মেতরে কিন্তু চাল কুমড়ার অনেক উপকার পাওয়া যায়। হৃদ তন্ত্রের বৃদ্ধি হলে কিছু অসুবিধা পেটের যেকোনো সমস্যার হ্মেতরে চাল কুমড়া কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। পেট ফাঁপা, চাল কুমড়া জন্ডিসের সবচেয়ে সূলভ ও সস্থা ঔষধ হিসেবে কাজ করে। ত্বক এবং চুলের যত্নে চাল কুমড়ার রস অনেক উপকারি। এছাড়াও চাল কুমড়ার বীজে গ্যাস্টিগ এর উপসম আছে। কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, প্রস্রাবের কোন কারণে অনিয়ম হয়ে গেলে চাল কুমড়া খেলে উপকার পাওয়া যায়। চাল কুমড়া কিন্তু গর্ভবতী মহিলা যারা আছেন তারা খাবেন না কারণ চাল কুমড়া খেলে প্রেগন্যান্সিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই চাল কুমড়া কিন্তু আপনার যখন বাচ্চা হয়ে যাবে তখন কিন্তু চাল কুনড়া খাবেন কেননা চাল কুমড়ার পুষ্টি নবজাতক শিশুর জন্য ভালো। এবং পুরুষদের জন্য চাল কুমড়া ভালো। যখন এক জন মহিলা পেটে সন্তান ধারণ করে তখন চাল কুমড়া খেলে তখন তার যৌনচাহিদা একটু কম থাকে। চাল কুমড়া তে ভিটামিন, খনিজ ও ফাইবার থাকে এটি নিম্ন ক্যালরি যুক্ত সবজি। যা অধিক ক্যালরি যুক্ত খাবারের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যায়। এটি রক্ত নালিতে রক্ত চলাচল সহজ করে, হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে। যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য চাল কুমড়া অনেক ভালো। ফাইবার যুক্ত হওয়াই এটি পেট ভরে রাখে যার ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া কমিয়ে দেয়। শরীরের মিয়াদ জড়িয়ে দেয়। চাল কুমড়া শুধু একটু সবজিই নয় এটি আমাদের শরীর ও মনকে সুস্থ রাখে।

0 মন্তব্যসমূহ