দূর্বা ঘাস মানব দেহের জন্য কেন এত উপকারি আপনারা তা জানেন কী যদি না জানেন তাহলে এই আর্টিকেল আপনার জন্য। দূর্বা ঘাসে আছে হাজারো রকমের ঔষধী গুণ যা মানুষের বিভিন্ন রোগ ধমনে কার্যকরি ভূমিকা পালন করে। তাই আজ আমরা এই আর্টিকেলর মাধ্যমে জানবো দূর্বা ঘাস মানব দেহের জন্য কোন কোন রোগের কাজ করে এবং এর ব্যবহারবিধি সম্পর্কে।
মানব দেহের জন্য প্রথম যে রোগের বিরুদ্ধে দূর্বা ঘাস কাজ করে তা হলো বন্ধাত্ত। বন্ধাত্ত দূর করতে দূর্বা ঘাস খুবি ভালো কাজ করে থাকে। সন্তান ধারনের হ্মেতরে দূর্বা ঘাস সম্ভাবনাময় একটি ঔষধ। গর্ভধারণে অসমর্থ হলে দূর্বা ও আতব চাল এক সাথে ব্লেন্ডার করে বড়া বানিয়ে ভাতের সাথে সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন খেলে খুবি ভালো উপকার পাওয়া যায়।
শরীরের কোন স্থান কেটে গেলে দূর্বা ঘাস পিসে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিলে রক্তপড়া বন্ধ হয়ে যায়। এ হ্মেতরে দূর্বার শিকড় ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভালো উপকার পাওয়া যায়।
অনেক সময় মানুষের বমি বমি ভাব লহ্মণ দেখা যায় বা অনেকের হ্মেতরে এটি রোগে পরিণত হয় অর্থাৎ মাঝে মাঝেই ভমি হয়। এই বমি বমি ভাব বন্ধের জন্য দূর্বা ঘাসের রস ২-৩ চামচ ১ চা চামচ চিনির সাথে মিশিয়ে ১ ঘন্টা পর পর হ্মেতে হবে। তাহলে বমি ভাব কেটে যাবে, কেটে যাওয়ার পর এটা না খেলেও চলবে।
রক্তস্রাব বন্ধ করে আয়ুবেদিয় মতে রক্ততিক্তে দূর্বা ঘাস মহা ঔষধ হিসেবে কাজ করে। এই রোগে মুখ নাক ছাড়াও শরীলের বিভিন্ন অংশ দিয়ে রক্তস্রাব হতে পারে। এই রোগে দূর্বা ঘাসের রসের সাথে কাঁচা দুধ মিশিয়ে খেলে এই রোগ খুব দূর্ত ভালো হয়ে যায়।
শেতপ্রদল জনিত দূর্বলতায় দূর্বা ঘাস ও কাঁচা হলুদের রস সমপরিমাণে মিশিয়ে খেলে রোগির দূর্বলতা দূর্ত কাটিয়ে উঠে এবং রোগী ভালো হয়ে যায়।
আমাশয়, আমাশয়ে দূর্বা ঘাসের রস ২-৩ চামচ, ডালিম পাতা বা ডালিমের ছালের রস ৪-৫ চামচ মিশিয়ে প্রতিদিন ৩-৪ বার খান, এভাবে ১০-১৫ দিন খেলে আমাশয় দূর্ত ভালো হয়ে যাবে।
প্রস্রাবে কষ্ট, প্রস্রাবে প্রচুর কষ্ট হয় অথচ পাথরে রোগ হয়নি এরকম রোগের হ্মেতরে দূর্বা ঘাস, দুধ ও পানির সাথে মিশিয়ে খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। তবে অশ্রু রোগ থাকলে এটি খাওয়া যাবে না।
দীর্ঘ স্থায়ী আমাশয়,দীর্ঘ স্থায়ী আমাশয় রোগের হ্মেতরে দূর্বা ঘাসের ভালো ভূমিকা আছে। দীর্ঘ স্থায়ী আমাশয় রোগেও দূর্বা ঘাসে রয়েছে ফল দায়ক উপকারিতা। এহ্মেতরে দূর্বা ঘাসের রস দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।
চুল পড়া বন্ধ করে, দূর্বা ঘাসের রস দিয়ে চুল পড়া বন্ধ হয়। একটি পার্তে ১ লিটার নারিকেল তেঁল মিত তাপে জাল করে এরপর যে ফেনা হবে সে ফেনা গুলোকে ফেলে দিতে হবে তারপর দূর্বা ঘাসের টাটকা রস ২০০ মিলি নিয়ে সম্পূর্ণ পরিমাণে মিশিয়ে আবারো জাল দিতে হবে। চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে সংরক্ষকণ করতে হবে, গুসলের ১ ঘন্টা আগে এই তেঁল চুলে মেখে নিতে হবে এভাবে নিয়মিত ২-৩ মাস ব্যবহার করলে ১০০% চুল পড়া বন্ধ হবে।
তাহলে আমরা এই আর্টিকেল মাধ্যমে জানলাম দূর্বা ঘাস মানব দেহের জন্য কেন এত উপকারি।
0 মন্তব্যসমূহ